ঢাকার সেরা কোলোরেক্টাল সার্জন | ডাঃ তারিক আখতার খান

বিশ্বজুড়ে পাইলস, ফিশার, ফিস্টুলা এবং কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের মতো রোগ দ্রুত বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানায়, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, কম শারীরিক পরিশ্রম, স্থূলতা, দীর্ঘসময় বসে থাকা এবং মানসিক চাপ—এসব কারণের জন্য বিশ্বব্যাপী কোলোরেক্টাল রোগের প্রবণতা প্রতি বছরই বাড়ছে।

WHO-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সাধারণ (common) ক্যান্সার, এবং অনেক দেশে এটি মৃত্যুহারের প্রধান কারণগুলোর একটি। বাংলাদেশও এই বৈশ্বিক প্রবণতার বাইরে নয়। বিশেষ করে ঢাকায় কোলোরেক্টাল রোগীর সংখ্যা গত কয়েক বছরে চোখে পড়ার মতো বেড়েছে।

ঢাকার সেরা কোলোরেক্টাল সার্জন

মসলাযুক্ত খাবার, পানি কম খাওয়া, দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য এবং লজ্জার কারণে চিকিৎসা এড়িয়ে চলা—এসব কারণে রোগ জটিল হয়ে ওঠে। এমন বাস্তবতায় একজন অভিজ্ঞ কোলোরেক্টাল সার্জনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকায় এই বিশেষায়িত চিকিৎসার ক্ষেত্রে যারা নিরাপদ ও আধুনিক চিকিৎসা চান, তারা খুব স্বাভাবিকভাবেই ডাঃ তারিক আখতার খানের নাম উল্লেখ করেন। তাঁর আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, বহু বছরের অভিজ্ঞতা এবং হাজারো সফল সার্জারি তাকে রোগীদের কাছে এক বিশ্বস্ত বিশেষজ্ঞে পরিণত করেছে।

কোলোরেক্টাল সার্জারি কী?

কোলোরেক্টাল সার্জারি হলো বৃহদন্ত্র (কোলন), রেকটাম এবং মলদ্বারের বিভিন্ন রোগের উন্নত চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার। ক্যান্সার, পলিপ, প্রদাহজনিত অন্ত্রের রোগ (যেমন ক্রোন’স ডিজিজ, আলসারেটিভ কোলাইটিস), ডাইভার্টিকুলাইটিস, পেলভিক ফ্লোর সমস্যা বা জটিল ফিস্টুলার মতো অবস্থায় এই সার্জারি প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি জীবন-রক্ষাকারীও হতে পারে, কারণ সময়মতো সার্জারি রোগের বিস্তার ও জটিলতা কমিয়ে দেয়।

কোলোরেক্টাল সার্জারি

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

কোলোরেক্টাল সার্জারি গুরুতর অন্ত্র ও মলদ্বারের রোগের নিরাপদ ও কার্যকর সমাধান, যা রোগীকে সুস্থ ও স্বস্তিদায়ক জীবনে ফিরতে সাহায্য করে।

  • রোগ নিরাময় ও প্রতিরোধ: ক্যান্সার কোষ বা ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু অপসারণ করে রোগকে নিয়ন্ত্রণে আনে।
  • লক্ষণ উপশম: রক্তপাত, ব্যথা, এবং মলত্যাগের জটিলতা কমাতে সাহায্য করে।
  • জীবনমান উন্নয়ন: সঠিক চিকিৎসার পর রোগী স্বাভাবিক জীবনে দ্রুত ফিরে যেতে পারেন।
  • জটিলতা হ্রাস: প্রাথমিক পর্যায়ে সার্জারি করলে রোগ ছড়িয়ে পড়া বা নতুন জটিলতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি কমে।
  • আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা: ল্যাপারোস্কোপিক বা লেজার সার্জারি ছোট ছিদ্র দিয়ে করা হয়, ফলে ব্যথা কম হয়, রক্তপাত কমে এবং সুস্থতাও দ্রুত আসে।

কেন ডাঃ তারিক আখতার খানকে ঢাকার সেরা কোলোরেক্টাল সার্জন বলা হয়?

ঢাকায় কোলোরেক্টাল রোগের চিকিৎসায় অনেক চিকিৎসক কাজ করছেন। তবে ডাঃ তারিক আখতার খানকে ঢাকার সেরা কোলোরেক্টাল সার্জন বলার কারণ হলো তাঁর ব্যাপক অভিজ্ঞতা, উন্নত প্রশিক্ষণ (এমএস ইন কোলোরেক্টাল সার্জারি), ল্যাপারস্কোপিক ও লেজার সার্জারিতে দক্ষতা এবং রোগীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত ইতিবাচক রিভিউ, যা তাকে পাইলস, ফিসার, ফিস্টুলা ও কোলন ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের চিকিৎসায় নির্ভরযোগ্য করে তুলেছে।

ডাঃ তারিক আখতার খান - ঢাকার সেরা কোলোরেক্টাল সার্জন ১.

উচ্চতর যোগ্যতা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

  • এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি), এমএস (কোলোরেক্টাল সার্জারি)
  • বিএমইউ সার্টিফাইড মাস্টার কোলোরেক্টাল সার্জন
  • গ্লাসগোর রয়েল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস-এর ফেলো (FRCS Glasgow)
  • আন্তর্জাতিক মানের সার্জারি প্রশিক্ষণের স্বীকৃতি
২.

বিস্তৃত অভিজ্ঞতা এবং সফল সার্জারির রেকর্ড

  • কোলোরেক্টাল সমস্যায় ১৬+ বছরের অভিজ্ঞতা
  • ৯,০০০+ অ্যানাল ও রেকটাল সার্জারি
  • ৮৫০+ কোলোরেক্টাল ক্যান্সার সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন
  • জটিল কেসও দক্ষতার সাথে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা
৩.

আধুনিক ও উন্নত সার্জারি পদ্ধতির ব্যবহার

  • লেজার হেমোরয়েড সার্জারিতে দক্ষ
  • মিনিমালি ইনভেসিভ সার্জারি (MIS)
  • ল্যাপারোস্কোপিক কোলোরেক্টাল সার্জারি
  • রোগীর ব্যথা কমানো ও দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য আপডেটেড টেকনিক
৪.

রোগী-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি

  • রোগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন
  • সমস্যা সহজ ভাষায় বোঝান
  • প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন
  • রোগীরা চিকিৎসার প্রতিটি ধাপে নিজেদের আত্মবিশ্বাসী অনুভব করেন
৫.

শিক্ষকতা ও পেশাগত ভূমিকা

  • মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অধ্যাপক
  • কোলোরেক্টাল সার্জারির উন্নত প্রশিক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা
৬.

শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে পরামর্শদাতা

এগুলোর মাধ্যমে তিনি প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের জটিল কেস পরিচালনা করেন।

  • ধানমন্ডি ডায়াগনস্টিক সেন্টার
  • ইমপালস হাসপাতাল
  • ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল
  • সুপার স্পেশালিটি সেন্টার

কোন কোন সমস্যায় ডাঃ তারিক আখতার খান চিকিৎসা প্রদান করেন?

অনেকেই পাইলস বা ফিশারের মতো রোগকে ছোট সমস্যা মনে করেন, কিন্তু বারবার রক্ত পড়া বা ব্যথা হলে এটি বড় জটিলতায় রূপ নিতে পারে। তাই দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে ভালো।

সাধারণ কোলোরেক্টাল সমস্যাসমূহ

জরুরি লক্ষণ যা অবহেলা করা যাবে না

জরুরি লক্ষণ
  • মলে রক্ত
  • দীর্ঘদিনের পায়ুপথের ব্যথা
  • মলদ্বারে পুঁজ বা ফোলাভাব
  • হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া
  • ক্রমাগত কোষ্ঠকাঠিন্য

ডাঃ তারিক আখতার খানের চিকিৎসা পদ্ধতি ও সার্জারির ধরণ

ডাঃ তারিক আখতার খান প্রতিটি রোগীর অবস্থা ভালোভাবে বুঝে তারপর চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন। তিনি প্রয়োজনে নন-সার্জিক্যাল চিকিৎসা দিয়ে শুরু করেন এবং জটিল বা দীর্ঘদিনের সমস্যায় আধুনিক সার্জারির বিকল্প দেন।

লেজার সার্জারি, ল্যাপারোস্কোপি এবং মিনিমালি ইনভেসিভ টেকনিক—এগুলো তিনি নিয়মিত ব্যবহার করেন যাতে রোগীর ব্যথা কম হয় এবং দ্রুত সুস্থ হতে পারেন। তাঁর লক্ষ্য থাকে রোগীর নিরাপত্তা, স্বস্তি এবং দ্রুত আরোগ্য।

১.

নন-সার্জিক্যাল চিকিৎসা

  • ওষুধ
  • ব্যথা কমানোর চিকিৎসা
  • খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে পরিবর্তন
  • বিশেষ নির্দেশনা (ফাইবার, পানি, ব্যায়াম)
২.

সার্জিক্যাল চিকিৎসা

এই সার্জারিগুলোর অধিকাংশই দ্রুত সুস্থ হওয়ার উপযোগী ও তুলনামূলকভাবে ব্যথাহীন।

ডাঃ তারিক আখতার খানের চেম্বার ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট

ডাঃ তারিক আখতার খান ঢাকার কয়েকটি পরিচিত ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখেন। রোগীরা সাধারণত ফোনে সময় নিশ্চিত করে নেন, কারণ অ্যাপয়েন্টমেন্ট দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায়। প্রথম ভিজিটে আগের রিপোর্ট থাকলে সঙ্গে নেওয়া ভালো, এতে চিকিৎসা দেওয়া আরও সহজ হয়।

ধানমন্ডি ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার ইমপালস হাসপাতাল ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল
79 সাতমসজিদ রোড, ঢাকা 1205 ৩০৪/ই শহীদ তাজউদ্দিন এভিনিউ, ঢাকা ১২১৫ ২৬ গ্রিন রোড, ঢাকা ১২০৫
শনিবার, সোমবার, মঙ্গলবার রবিবার রবিবার
বিকাল ৪.৩০ - সন্ধ্যা ৬টা বিকাল ২.৩০ - বিকাল ৩.৩০ বিকাল ৫টা - সন্ধ্যা ৬টা

রোগীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

কোলোরেক্টাল রোগে সঠিক সময়ে চিকিৎসা নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় অল্প ব্যথা বা রক্তপাতকেও রোগীরা গুরুত্ব দেন না, যা পরে বড় সমস্যায় পরিণত হতে পারে। তাই কোনো ধরনের অস্বস্তি বা লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

চিকিৎসার আগে কী কী প্রস্তুতি নিতে হবে এবং পরে কোন নিয়ম মানতে হবে—এসব বিষয়ে ডাঃ তারিক আখতার খান রোগীদের সহজ ভাষায় পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন।

রোগীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

কখন ডাক্তার দেখাবেন?

  • মলে রক্ত
  • তীব্র ব্যথা
  • পুঁজ বের হওয়া
  • দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য
  • হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া

সার্জারির আগে

  • কিছু সাধারণ পরীক্ষা
  • ওষুধের তালিকা জানানো
  • খাওয়ার নিয়ম

সার্জারির পর

  • হালকা ব্যথা কমানোর ব্যবস্থা
  • খাবারের নিয়ম
  • কখন কাজে ফিরতে পারবেন
  • ফলো-আপ সময়

কোলোরেক্টাল রোগে দেরি করলে কী ধরনের ঝুঁকি বাড়ে?

কোলোরেক্টাল রোগে দেরি করলে অনেক সময় ছোট সমস্যা বড় জটিলতায় পরিণত হতে পারে। নিয়মিত রক্তপাত, পুঁজ হওয়া, ব্যথা বাড়া বা ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ার মতো ঝুঁকি দেখা দেয়।

কোলোরেক্টাল রোগে দেরি করলে কী ধরনের ঝুঁকি বাড়ে?

ফিস্টুলা বা ফিশারের মতো কিছু রোগ সময়মতো চিকিৎসা না নিলে সার্জারি ছাড়া উপায় থাকে না। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে দেরি করলে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের সম্ভাবনাও বেড়ে যেতে পারে। তাই কোনো লক্ষণ দেখলেই দ্রুত বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া ভালো।

শেষ কথা: কোলোরেক্টাল সমস্যায় দেরি নয়

কোলোরেক্টাল রোগ নিয়ে লজ্জা পাওয়া বা দেরি করা উচিত নয়। এসব রোগের চিকিৎসা এখন অনেক নিরাপদ, দ্রুত এবং উন্নত। ডাঃ তারিক আখতার খানের অভিজ্ঞতা ও রোগী-বান্ধব চিকিৎসা রোগীদের আত্মবিশ্বাস দেয়। যদি আপনার পায়ুপথ বা মলদ্বার সংক্রান্ত কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে সময়মতো সঠিক বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।

কোলোরেক্টাল রোগ সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নোত্তর

ঢাকায় পাইলস, ফিস্টুলা, ফিশার এবং কোলোরেক্টাল রোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক রোগী ডাঃ তারিক আখতার খানের কাছে যান। তাঁর আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং হাজারো সফল সার্জারি তাঁকে পায়ুপথ ও মলদ্বার রোগের অন্যতম শীর্ষ বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত করেছে।

পাইলসের চিকিৎসা রোগের স্টেজের ওপর নির্ভর করে। শুরুতে ওষুধ, সিজ বাথ ও খাদ্যাভ্যাস ঠিক করলে ভালো হয়। জটিল বা পুরোনো ক্ষেত্রে লেজার সার্জারি বা মিনিমালি ইনভেসিভ অপারেশন দ্রুত আরাম দেয় এবং ব্যথাও কম থাকে।

হ্যাঁ, লেজার সার্জারি আধুনিক ও নিরাপদ একটি পদ্ধতি। এতে কাটা-ছেঁড়ার দাগ কম থাকে, রক্তপাত কম হয় এবং রোগীরা সাধারণত দ্রুত কাজে ফিরতে পারেন। পাইলস ও ফিশারের মতো সমস্যায় এটি খুবই কার্যকর।

ফিস্টুলার ধরন ও জটিলতার ওপর সময় নির্ভর করে। বেশিরভাগ রোগী কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক কাজে ফিরতে পারেন, তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে কিছুটা সময় লাগে। নিয়মিত ফলো-আপ করলে সুস্থতার অগ্রগতি দ্রুত বোঝা যায়।

সাধারণত পূর্বের যেকোনো ওষুধ, টেস্ট রিপোর্ট, রক্তপাতের ইতিহাস এবং যদি থাকে কোলোনোস্কোপি বা প্রোক্টোস্কোপির রিপোর্ট নিয়ে আসা ভালো। এতে চিকিৎসক দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা এড়ানো যায়।

মলে রক্ত পড়া, দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য, ওজন কমে যাওয়া, পেট ফাঁপা, রেকটাল ব্যথা বা মলের অভ্যাস বদলে যাওয়া—এসব সাধারণ লক্ষণ। এসব উপসর্গ উপেক্ষা করা ঠিক নয়, বিশেষ করে যদি ৪০ বছরের বেশি বয়স হয়।

সার্জারির খরচ রোগের ধরন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা, হাসপাতাল এবং সার্জারি পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে। প্রাথমিক ভিজিটের সময় চিকিৎসক রোগীর অবস্থা দেখে খরচ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিয়ে দেন।

হালকা কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণত খাদ্যাভ্যাস ঠিক করলে ভালো হয়। তবে দীর্ঘদিন (দুই সপ্তাহের বেশী) চলতে থাকলে বা ব্যথা, রক্তপাত, অস্বস্তি বা ফিস্টুলা-ফিশারের মতো সমস্যা দেখা দিলে কোলোরেক্টাল সার্জনের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

শুরুর দিকে অনেক সময় নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। তবে দীর্ঘদিন ব্যথা থাকতে থাকলে বা রক্তপাত হলে চিকিৎসা প্রয়োজন হয়। চিকিৎসা না নিলে এটি ক্রনিক ফিশারে পরিণত হতে পারে, যেখানে বিশেষজ্ঞের হস্তক্ষেপ দরকার হয়।
Call Receptionist
Call for Appointment
Make An Appoinment

Appointment Scheduling Time: 9 AM - 10 PM

  1. Dhanmondi Diagnostic & Consultation Center
  2. Impulse Hospital
Arrow